• বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণসহ মজবুত করে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে তিন ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে সাবেকরাই ফের নির্বাচিত নির্বাচনে ব্যর্থতার জন্য বিএনপি নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত: কাদের হাতীবান্ধার দুই ইউপিতে নৌকা নিয়ে `বাবার চেয়ারে` বসলেন ছেলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎ করেও খালেদার গৃহবন্দির অভিযোগ!

উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠেছে বিএনপি! 

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২০  

উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের কর্মীদের হামলায় যুবলীগ নেতা মো. আবুল হাছনাত কাজলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। 
গত বুধবার বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। কাজলসহ অন্যান্য আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

আর এ নিয়ে সুশীল সমাজের মধ্যে বইছে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। তাদের মতে, বিএনপির রাজনীতি যে গণমুখী নয়, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই তার প্রমাণ। এর মধ্য দিয়ে তারা আবারো প্রমাণ করেছে, বিএনপি সন্ত্রাসীদের দল।

জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ গণসংযোগ শুরু করেন। দয়াগঞ্জ সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের গণসংযোগ থেকে হঠাৎ ৫০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয়ে হামলা ও ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। 

এ সময় উপস্থিত যুবলীগের নেতারা প্রতিবাদ করলে তাদের মারধর ও যুবলীগের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এতে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আরিফ হোসেন, ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মুরাদ, মো. জীবন, শেখ রুমান, জুয়েল হাওলাদার, জাকির হাওলাদার, কাওছার আহমেদ নিপু, মো. রাজীব, মো. জালাল ও আল আমিন গুরুতর আহত হন।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের দফতর সম্পাদক ইদাদুল হক বলেন, যুবলীগ কর্মীরা সেখানে সমবেত হয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। 

তিনি বলেন, হঠাৎ করেই বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের গণসংযোগ থেকে অতর্কিতভাবে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে যুবলীগের নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধর করে। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্বাচন বহির্ভূত এবং গর্হিত অপরাধ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির শীর্ষ এক নেতা বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে উপ-নির্বাচনে অযোগ্যরা মনোনয়ন পেয়েছেন। আর অযোগ্যরা সহিংস পথ অবলম্বন করবে, এটাই স্বাভাবিক।

তিনি বলেন,  বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনসহ নানা সহিংস কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা এমনিতেই তলানিতে। নেতা-কর্মীদের এ ধরনের আচরণের মাধ্যমে বিএনপির নামই একদিন চিরতরে হারিয়ে যাবে।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –