• বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
‘সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর’ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিহত চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয়- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভঙ্গুর সাংগঠনিক অবস্থার কারণে নিশ্চিহ্নের পথে বিএনপি ছদ্মবেশে সরকারি অফিস থেকে দালাল ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট

নীলফামারীতে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত 

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে পালিত হয়েছে ৫০ তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চায়ন করা হয় একই স্থানে। এর আগে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দিবসটির র‌্যালীতে অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের পরিবারের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। 

ডিফেন্স এক্স-সোলজার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (ডেসওয়া) জেলা শাখার আয়োজনে ভার্চুয়ালে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের তিনি বলেন, ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে একটি অপশক্তি। এরা দেশের স্বাধীনতা যেমন চায়নি তেমনি এখোনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। বিভিন্ন ভাবে অরাজকতা তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা করছে তারা। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অরাজকতা দেখলে সেটি স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়। এজন্য আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করতে হবে। 

ডিফেন্স এক্স-সোলজার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ডেসওয়া এর জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্ণেল (অব.) তছলিম উদ্দিন আহমেদ, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মমতাজুল হক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুজার রহমান, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহিদ মাহমুদ, জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, ডেসওয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মানিক প্রমুখ। 

উল্লেখ যে, বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ ও প্রস্তুত করে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি সেনা, ছাত্র, ও সাধারণ জনতা মিলে গড়ে তোলেন সামরিক বাহিনী। শুরু হয় দুর্বার মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি মহান দিন। এদিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। দেশ স্বাধীনের পর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী আলাদা আলাদাভাবে যথাক্রমে ২৫ মার্চ সেনাবাহিনী দিবস, ২৮ সেপ্টেম্বর বিমান বাহিনী ও ১০ ডিসেম্বর নৌবাহিনী দিবস পালন করতো। পরে ২১ নভেম্বরের তাৎপর্য সমুন্নত রাখতে সম্মিলিত দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –