ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ছয় হাজার ৬৪৪ জন। এছাড়া নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫২৫ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৬৪ হাজার ৯৩২ জন
  • মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৭

  • || ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
‘রেল যোগাযোগ আরো সম্প্রসারিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার’ চাহিদা মেটাচ্ছে তিস্তার চরের ‘ছিটা পেঁয়াজ’ দেশ রক্ষার জন্য নদ-নদী রক্ষা করা অপরিহার্য- তথ্যমন্ত্রী ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন’ শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়ন বান্ধব- কাদের

প্রতিবন্ধী দুই ভাইকে বাড়ি দিচ্ছেন লালমনিরহাটের ডিসি

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দুই ভাই শাহিন মিয়া ও সাজু মিয়ারে জন্য বসতবাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর। সম্প্রতি ‘জমি আছে ঘর নেই’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ প্রকল্পের মাধ্যমে ওই দুই ভাইকে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর সির্ন্দুনা গ্রামের পন্ডিতপাড়া এলাকার ওই দুই ভাইয়ের। এরপর থেকে রাস্তার ধারে ছোট ভাই শাহাজাতের বাড়িতে তাদের বসবাস। পরে চার মাস আগে তাদের অধিকার ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে এ দৃশ্য দেখতে পায় প্রতিবন্ধী গবেষক ও প্রশিক্ষক রুকশাহানারা সুলতানা মুক্তা। পরে প্রতিবন্ধী দুই ভাইকে নিয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফরের কাছে হাজির হন তিনি। এসময় তাদের বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর।

গত বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বসত বাড়ি নির্মাণের কাজ চলমান। ১০/১৫ দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বসতবাড়ি পেয়ে বেশ খুশি শাহিন মিয়া ও সাজু মিয়া।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শাহিন মিয়া ও সাজু মিয়া বলেন, ‘অনেক দিন মেম্বার চেয়ারম্যানদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। কিন্তু কেউ একটি ঘর দেয়নি। পরে মুক্তা আপার মাধ্যমে ডিসি স্যার আমাদের ঘর করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। ডিসি স্যারের মাধ্যমে আমরা প্রধান মন্ত্রীর এ উপহার পেয়েছি এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের এখন আর বাড়ি নিয়ে চিন্তা নেই। আমরা এক ভাই মুদির দোকান, এক ভাই গাভী পালনের প্রশিক্ষণ নিয়েছি। আমরা ভিক্ষা নয়, ব্যবসা করে বাঁচতে চাই।’

প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষক ও গবেষক রুকশাহানারা সুলতানা মুক্তা বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠিত সার পুকুর প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা নিয়ে জেলার প্রতিবন্ধীদের পুনঃবাসনে কাজ করছি। শাহিন ও সাজু মুদির দোকান ও গাভী পালনে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন সহযোগিতা করলে তাদের পুনঃবাসন করা সম্ভব।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ‘দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না বলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শাহিন ও সাজুকে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ার চেষ্টাও আমরা করব।’

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –