• বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
‘সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর’ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিহত চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয়- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভঙ্গুর সাংগঠনিক অবস্থার কারণে নিশ্চিহ্নের পথে বিএনপি ছদ্মবেশে সরকারি অফিস থেকে দালাল ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট

সরকারি প্রচেষ্টায় ক্রমশই উন্নতির দিকে মোংলা সমুদ্রবন্দর

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২০  

সরকারি প্রচেষ্টা ও বন্দর কর্তৃপক্ষের নানামুখী পদক্ষেপে মোংলা সমুদ্রবন্দর ক্রমশই উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতায় দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ বন্দরে ফিরছে প্রতিনিয়ত। বিদেশি জাহাজ আসায় আমদানি-রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে বাড়ছে রাজস্ব।

একসময় বন্দরের জেটি এলাকায় নদী খনন না হওয়ায় নাব্যসংকটে জেটিতে জাহাজ নোঙর করতে পারত না। নদী ড্রেজিং চলমান থাকায় জেটিতে এখন জাহাজ নোঙরে আর সমস্যা নেই। রোববার (২৫ অক্টোবর) মোংলা বন্দরের সবকয়টি জেটিতে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে পরিপূর্ণ হয়ে উঠে।

এ প্রথম ৫টি জেটিতে ৫টি বিদেশি জাহাজ নোঙর করে রাখা হয়। পশুর নদীর জেটিসংলগ্ন ও চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি, মোংলা বন্দরের সমতা বাড়ায় একই সঙ্গে ৫টি জাহাজ জেটিতে মালামাল খালাসের জন্য বার্থিং করা হয়। ডেইজি, জেনারেল কার্গোবোঝাই লাইবেরিয়ার জাহাজ কোটারিয়া/০৪৭৯ ডব্লিউ, কন্টেইনারবাহী সিঙ্গাপুরের জাহাজ কোটাহরম্যাট, সিঙ্গাপুরের জাহাজ কন্টেইনার হনর পেসক্যাডস, প্রজেক্ট কার্গো বোঝাই পানামার জাহাজ মালয়েশিয়া স্টার, গাড়িবোঝাই মালয়েশিয়ার জাহাজ মোংলা বন্দর জেটিতে বার্থিং রয়েছে।

জেটিতে অবস্থানরত জাহাজগুলোর মধ্যে ৭ মিটার ড্রাফটেরও জাহাজ রয়েছে ২টি। বন্দর জেটিতে ৫টি জাহাজসহ বর্তমানে মোট ১১টি বাণিজ্যিক জাহাজ বন্দরে অবস্থান করছে বলে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ। রোববার রাতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপসচিব মো. মাকরুজ্জামান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানানো হয়।
 
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, মোংলা সমুদ্রবন্দর অর্থনীতির বাতিঘর হিসেবে বিবেচিত। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় করোনা মহামারির মধ্যেও মোংলা বন্দরের কার্যক্রম কখনোই বন্ধ থাকেনি। এ সরকারে আমলে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য ১৪টি প্রকল্পসহ ৫০টিরও অধিক উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। ফলে বন্দর ফের কর্মচাঞ্চল্য হয়ে ওঠেছে। বন্দর ব্যবহারে প্রায় প্রতিবছর ১৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া নদী নব্যতার সংকট কাটিয়ে বন্দর জেটিতে সব কয়টি পয়েন্টে বিদেশি জাহাজে পরিপূর্ণ। ফেলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে দ্বিগুণ।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –