ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৭৪৭ জনে।
  • শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৮ ১৪২৭

  • || ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
সরকারের হস্তক্ষেপে কমতে শুরু করেছে আলুর দাম লালমনিরহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার দুর্গাপূজা উপলক্ষে বুড়িমারী স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে ৬ দিন বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা চরম বিরক্ত ফখরুল-রিজভীদের ওপর কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে চার দিনের ছুটি

হুমকীর মূখে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নির্মিত আশ্রয়নকেন্দ্র          

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ জুন ২০২০  

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দু:স্থদের জন্য বরাদ্দকৃত আশ্রয়কেন্দ্র ব্রহ্মপূত্র নদের ভাঙনের মূখে পরেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মাণকৃত ৩০টি ব্যারাকের মধ্যে ৪টি ব্যারাক গতবছর নদীগর্ভে চলে যায়। চলতি বছর ভাঙ্গন আরো তীব্রতর হলে স্থানীয় প্রশাসন আশ্রয়ন কেন্দ্রের লোকজনের সহযোগিতায় ৩টি ব্যারাক খুলে সড়িয়ে নেয়। বর্তমানে সেখানে ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা চেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আতংকিত আশ্রয়কেন্দ্র অধিবাসীদের দাবি দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়ার।

চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হানিফা রঞ্জু জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ খাউরিয়া প্রকল্প-২ এর অধিনে দেড়শ পরিবারের আশ্রয়ের জন্য ৩০টি ব্যারাক নির্মাণ করে দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে। এজন্য ৫১৯ মে.টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয় মাটি ভরাটের জন্য। পরে কোটি টাকা ব্যয়ে সেখানে ৩০টি ব্যারাক নির্মাণ করে দেয় সেনাবাহিনী। ২০১৯ অর্থবছরে সেনাবাহিনী হস্তান্তর করে দেয়ার পর সেখানে ১৫০টি পরিবার আশ্রয় নেয়। হস্তান্তরের একমাস পরেই প্রথমে ৪টি ব্যারাক ব্রহ্মপূত্রের ভাঙনে বিলিন হয়ে যায়। চলতি বছরের মে মাসে ভাঙনের মুখে সড়িয়ে ফেলা হয় আরো ৩টি ব্যারাক। চিলমারী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩টি ব্যারাকসহ ৭টি ব্যারাক বিনষ্ট হওয়ার কথা থাকলেও এই চেয়ারম্যান জানালেন বর্তমানে এখানে ২১টি ব্যারাক রয়েছে। যাতে ১০৫টি পরিবার বসবাস করে।


এ ব্যাপারে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ জানান, আশ্রয়নকেন্দ্রটি গত বছর থেকে ভাঙনের মুখে রয়েছে। ভাঙন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছ থেকে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। 


বিষয়টি নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, আমি ভাঙন কবলিত আশ্রয়নকেন্দ্রটি দেখেছি। আপাতত ভাঙন ঠেকাতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) কর্মকর্তাসহ কিছু জিও ব্যাগ পাঠাচ্ছি। তবে বড় ধরণের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া এটি রক্ষা করা দূরুহ ব্যাপার। এজন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –