• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৮ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধিতাকারীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট নিজের ভাগ্য নয়, জনগণের ভাগ্য বদলই একমাত্র লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি পদ্মার গহীনে নিমজ্জিত: ওবায়দুল কাদের

প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে মন্ত্রণালয়

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৮ জুন ২০২২  

ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) সহায়তায় নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এসো শিখি’ শীর্ষক এ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন-ইউএসএআইডির মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন স্টিভেন্স। সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ৩৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের নতুন এ প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্পের আওতায় ১৫টি নির্ধারিত জেলায় শিক্ষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবে-যা শিক্ষকদের উদ্ভাবনী ও কার্যকর শিখন-শেখানো পদ্ধতির প্রয়োগে সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করার মাধ্যমে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের পড়া ও শেখার দক্ষতা উন্নয়ন করবে। প্রকল্পটি সরাসরি ১০ হাজার বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকদের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ দেবে। পাশাপাশি উন্নতমানের শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করবে। প্রকল্পটি মাঠ পর্যায়ের মেন্টরদের মানসম্মত শিক্ষাদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প জনগোষ্ঠীকে দুর্যোগ ও মহামারিসহ দুর্দশা নিরসন-তাদের সন্তানদের শিক্ষায় অবিচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার ও মানসম্মত শিক্ষার মান বজায় রাখার জন্য সহায়তা করবে।

ইউএসএআইডি মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন স্টিভেন্স বলেন, শিক্ষা সুযোগের উন্নতি করা ও বাংলাদেশি শিশুদের বিদ্যালয়ে সাফল্য পেতে সহায়তা করা ইউএসএআইডির অগ্রাধিকার। এসো শিখি প্রকল্পের অধীনে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো শ্রেণিকক্ষে অল্পবয়সি শিক্ষার্থীদের পূর্ণ সম্ভাবনাকে বিকাশ করা এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করা।

সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, আমরা প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার ৯৮ ভাগ পর্যন্ত নিশ্চিত করেছি। আমাদেরকে শতভাগ শিশুর ভর্তির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। যেসব শিশু সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীতে রয়েছে তাদের গুরুত্ব দিতে হবে। আমি আশা করি, এসো শিখি প্রকল্পটি শিশুদের ভর্তির হার বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ, বিদ্যালয়ে ও বাড়িতে শেখার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করবে।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –