• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৪ ১৪২৯

  • || ২৮ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধিতাকারীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট নিজের ভাগ্য নয়, জনগণের ভাগ্য বদলই একমাত্র লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি পদ্মার গহীনে নিমজ্জিত: ওবায়দুল কাদের

রাজারহাটে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে কৃষি যন্ত্রের ব্যাবহার

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২২  

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে কৃষি যন্ত্রের ব্যাবহার। এ কারণে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ কৃষি ও অর্থনীতি। এতে করে ধান কাঁটা ও মাড়াই করতে সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে কৃষকের। বিশেষ করে ইরি-বোরো মৌসুমে যেখানে রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি খেলা চলে সেখানে সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভরা মৌসুমে শ্রমিক সংকট অন্যতম প্রধান সমস্যা। সেই পুরনো আমলের ধান কাঁটা ও মাড়াই থেকে ধীরে ধীরে বেড়িয়ে আসছে উপজেলার গ্রামীণ কৃষি ও কৃষক।

পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও। বিশেষ করে ধান মাড়াই করতে যন্ত্রই এখন প্রধান ভরসা কৃষকের। 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় ‘রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় উপজেলায় এ পর্যন্ত ব্রডকাস্ট সিডার, ইউনার কম্বাইন্ড হারভেস্টর ,হারভেস্ট, পাওয়ার থ্রেসার বিতরণ করা হয়েছে। 

সরেজমিনে দেখা গেল ছাটমল্লিকবেগ গ্রামের যুবক মোস্তাক পেশায় কাঠ মিস্ত্রী হলেও এ মৌসুমে ধান মাড়াই করা ১টি যন্ত্র ভাড়া নিয়ে সাথে আরো ৪/৫জনে ধান মাড়াই করছেন। তিনি জানান ১শের (৫শতাংশ) জমির ধান মাড়াই করা বাবদ ১০০/১২০ টাকা নিচ্ছি, প্রতি দিন সব খরচ বাদে ১৫শ থেকে ২ হাজার আয় হয়। শুধু তাই নয় একই গ্রামের হবিবর, ইলিয়াছ, রব্বানী, সদাগড় গ্রামের নুরল মিয়া, পীরমামুদ গ্রামের সোলেমান সবাই যন্ত্র দিয়ে ধান মাড়াই করে চলেছেন। অনেকে নিজস্ব অর্থায়নে মাড়াই যন্ত্র তৈরি করে কাজ করছেন। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের কয়েক শত যুবক বাড়তি আয়ের জন্য গ্রামে গ্রামে ধান মাড়াই করে নিজেরা আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন। 

চাকির পশার তালুক গ্রামের তরুন কৃষক শাহাজান আলী বলেন,সামনে যন্ত্র-প্রযুক্তি ছাড়া কৃষি কল্পনা করতে পরছিনা, শ্রমিকের যে দাম এবারে যন্ত্র দিয়ে ধান মাড়াই করে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হওয়াতে আমি অনেক উপকৃত। সামনে ধান কাটতে যন্ত্রের ব্যবহার চান তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সম্পা আকতার জানান, প্রতি মৌসুমে এ অঞ্চলের কয়েকবার  প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কৃষকদের  যন্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট করতে উপজেলায় ইতি মধ্যে বেশ কিছু যন্ত্র কৃষক দল ও ব্যক্তি পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে এবং আরো কিছু যন্ত্র বিতরণের অপেক্ষায় আছে। দিন দিন যন্ত্রের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষক পর্যায়ে যন্ত্রের ব্যাবহার আরো বৃদ্ধির জন্য সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ কিভাবে বাড়ানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –