• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৪ ১৪২৯

  • || ২৮ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধিতাকারীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট নিজের ভাগ্য নয়, জনগণের ভাগ্য বদলই একমাত্র লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি পদ্মার গহীনে নিমজ্জিত: ওবায়দুল কাদের

পানি বাড়ছে রংপুর অঞ্চলের নদ-নদীর, বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা  

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২২  

রংপুর অঞ্চলের সব নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে, আবার কমছে। পানি বাড়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে নদীগুলোর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল, চর ও দ্বীপচরে। কিছু এলাকায় পানি কমলেও দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, উজানের ঢলে যেকোনো সময় বাড়তে পারে তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পানি। রংপুরে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা, জেলা প্রশাসক আসিব আহসানসহ স্থানীয় প্রশাসন। বন্যা দুর্গতদের মাঝে চালসহ শুকনা খাবার বিতরণ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে দুপুর থেকে রংপুরের গঙ্গাচড়া, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলায় তিস্তা নদীতে পানি বাড়তে থাকে এবং চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়। এতে করে এই তিন উপজেলার কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে শনিবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, দুপুর ১২টায় বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, বিকেল ৩টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। 

তিস্তা নদীর পাশাপাশি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে জেলার অন্য নদীর পানি। যমুনেশ্বরী নদীর পানি বদরগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদী ইসলামপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এদিকে রংপুরের পাশের জেলার নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় কুড়িগ্রামের ধরলা নদী বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদী চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর পূর্বাঞ্চল এবং ভারতের আসাম, মেঘালয় ও হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি স্থানে মাঝারী থেকে ভারী কোথায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ দেশের বড় নদীগুলোতে পানি বাড়তে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে যেতে পারে।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –