• শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৮ ১৪৩১

  • || ০৪ মুহররম ১৪৪৬

কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি  

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের ফলে কুড়িগ্রাম জেলার সবগুলো নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল বর্তমানে সকল নদীর পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

ক। নদ-নদীর পানি প্রবাহ।

নদীর নাম- ব্রহ্মপুত্র(নুনখাওয়া পয়েন্ট)
(ক) বিপদসীমা-২৬.০৫ মিঃ
(খ) পানি প্রবাহ-২৩.০৪ মিঃ
(গ) বিপদ সীমার-৩০১সেঃ মিঃ নিচে।

 নদীর নামঃ ব্রহ্মপুত্র (চিলমারী পয়েন্ট) 
(ক) বিপদসীমা-২৩.২৫মিঃ
(খ)) পানি প্রবাহ-২০.৬৯ মিঃ
 বিপদ সীমার-২৫৬ সে মি. নিচে। 

নদীর নামঃ ধরলা (সদর পয়েন্ট)
(ক) বিপদসীমা-২৬.০৫ মিঃ
(খ)) পানি প্রবাহ- ২৩.৪১ মিঃ
(গ) বিপদ সীমার-২৬৪ সে.মি. নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদীর নাম- তিস্তা (কাউনিয়া পয়েন্ট) 
(ক) বিপদসীমা-২৮.৭৫ মিঃ
(খ) পানি প্রবাহ-২৭.৮৩ মিঃ
 (গ) বিপদ সীমার-৯২ সে.মি. নিচে। 

নদীর নাম-দুধকুমার (পাটেশ্বরী)
(ক)বিপদ সীমা-২৯.৬০ মি:
 (খ)পানি প্রবাহ-২৭.২৫ মি:
 (গ)বিপদসীমার-২৩৫ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

খ। প্লাবিত এলাকা।
বর্তমানে বন্যা প্লাবিত এলাকা নাই।

গ। পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা।
বর্তমানে পানিবন্দী পরিবার নাই।

কুড়িগ্রাম জেলায়  ৫,৬৮৩ হেক্টর ফসলি জমি, ০০টি মৎস্য খামার এবং ৫ টি স্থানে ৭৮০ মিটার বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়। তবে উপজেলার বজরা, রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ও বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে এলাকায় নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। 
 
জেলায় বর্তমানে জিআর (চাল)- ২৮০ মে:টন, জিআর (ক্যাশ) ১,৪২,৫০০ টাকা, শুকনা খাবার ৩,০০০ প্যাকেট, শিশু খাদ্য ০২ লক্ষ টাকা এব এবং গো-খাদ্য ০৫ লক্ষ টাকা মজুদ রযেছে।

জেলা প্রশাসন কর্তৃক ৩৬১ টি আশ্রয় কেন্দ্র এবং ২৭৫ টি নৌযান প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং উপজেলা পর্যায়ে জিআর (চাল) ৭৯ মেঃটন ও জিআর (ক্যাশ) ৪,৩৩,০৫০ টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করতঃ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 
এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বিভিন্ন ভাঙ্গন এলাকায় আপদকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

দেশের দারিদ্র পিরিত একটি জেলা কুড়িগ্রাম। প্রতিবছর বন্যায় জেলার বিপুল সংখ্যক মানুষের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীনসহ অনেক ক্ষয়ক্ষতির বিপরিতে যে পরিমান সরকারী সহায়তা প্রদান করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। উপরোক্ত ক্ষয়ক্ষতি সমূহ বিবেচনা করে কুড়িগ্রাম জেলার জন্য অতিরিক্ত বরাদ্ধের জন্য সুপারিশ করা যেতে পারে।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –