• মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২১ ১৪৩০

  • || ২৩ শা'বান ১৪৪৫

সর্বশেষ:
ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করুন: প্রধানমন্ত্রী কোনো অজুহাতেই যৌন নিপীড়ককে ছাড় নয়: শিক্ষামন্ত্রী স্পর্শকাতর মামলার সাজা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি চলতি মাসেই একাধিক কালবৈশাখীর শঙ্কা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশদ্রোহীরা মানুষকে কষ্ট দেয়: নাছিম

পাকিস্তানে কি ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে ইমরান খানের দল?

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

সব প্রতিবন্ধকতা ছাপিয়ে পাকিস্তানে ভোটের মাঠে বাজিমাত করল দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই)। দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জেলে বন্দি থাকলেও তার দল দেশটির জাতীয় নির্বাচনে জয় পেয়েছে। তবে এই জয় একটু ভিন্ন আবহের হওয়ায় নতুন ইতিহাস হতে যাচ্ছে।

ইমরান খান মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় নিজে নির্বাচনে লড়াই করতে পারেননি। ১০ বছরের জন্য তাকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি তার দল পিটিআই নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার কারণে নিজস্ব ‘ব্যাট’ প্রতীকে নির্বাচন করতে পারেনি। ফলে দলটির প্রার্থীরা দলীয় সমর্থনে স্বতন্ত্র প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারপরও বেশি সংখ্যক আসনে জয়ী হয়েছে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা।

এদিকে ভোটের দুদিন পার হলেও এখনো সব আসনের ফল ঘোষণা করতে পারেনি পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। ২৬৫ আসনের মধ্যে ২৫২টি আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দলের চেয়ে বেশ ভালো ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তাদের অধিকাংশই ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী।

জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬৫ আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৫২টি আসনের ফল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ১০৬টি আসন। তাদের মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী ৯৭ জন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন পেয়েছে ৭২টি আসন এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি পেয়েছে ৫২টি আসন।

তবে ফল ঘোষণা যত শেষের দিকে নির্বাচন ঘিরে সমীকরণ তত জটিল থেকে জটিল হচ্ছে। পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও সরকার গঠন করতে পারবে কিনা, সে প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাতা-কলমে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দলমত নির্বিশেষে সরকার গঠন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে তারা অন্য কোনো দলে যোগদান এড়িয়ে সংসদে নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে পারবেন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক আসন পেলে তারা সরকার গঠন করতে পারবে। এ জন্য তাদের ২৬৬ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ১৩৪টি আসনে জয়লাভ করতে হবে। তবে এত আসন তারা পাচ্ছেন না। তাই এই সম্ভাবনা বাদ।

পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সামনে আরেকটি বিকল্প রয়েছে। সেটা হলো তাদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট গঠন করে সরকারে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। ইতিমধ্যে জোট সরকার গঠনের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রত্যাশী ও সামরিক বাহিনীর আস্থাভাজন নওয়াজ শরিফ। এ জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দলে ভেড়াতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও জানিয়েছেন।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –