• শুক্রবার ২৬ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১৩ ১৪৩১

  • || ১৬ শাওয়াল ১৪৪৫

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের সহায়তায় অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত হলো ৭ পরিবার     

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ আগস্ট ২০২১  

ঠাকুরগাঁও শহরের মুন্সিরহাটা এলাকার সাতটি পরিবার অবশেষে সদর থানা পুলিশের সহায়তায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছে। সোমবার (২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম।

এর আগে গতকাল রোববার (১ আগস্ট) ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মুন্সিরহাটা এলাকায় এ ঘটনায় ঘটে। প্রতিবেশী এরশাদ আলীর বিরুদ্ধে রাস্তা বন্ধ করে সাতটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ করেন তার প্রতিবেশী নাজমুল হক।

সরেজমিনে দেখা যায়, ১০ নং ওয়ার্ডের চলাচলের জন্য একটি রাস্তা। আর সেই রাস্তার প্রবেশপথে বালু ফেলে রেখেছেন এরশাদ আলীর পরিবার। এতে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সুরফাত আলী, আমিরুল হক, সাদেকুল ইসলাম, নাজমুল হক, আলাল, দুলাল ও ফারুকের পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী নাজমুল হক অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর থেকে এই সড়কটির ওপর দিয়ে আমরা চলাচল করছি। হঠাৎ প্রতিবেশী এরশাদ আলীর ছেলে ও তার স্ত্রী সড়কটি নিজেদের জমিতে দাবি করে এর ওপর বালু ফেলে স্তূপ করে আমাদের চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে আমরা সাতটি পরিবারের লোকজন অবরুদ্ধ হয়ে যাই। আমরা তাদের বাধা দিতে গেলে তারা আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেন। 

তিনি বলেন, রাস্তার জমিটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও এরশাদ আলী ও তার পরিবার রাস্তাটি তাদের বলে দাবি করে দখলের চেষ্টা করছেন। এর আগে এই পরিবারের লোকজন আমাদের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এরশাদ আলী মোবাইল ফোনে বলেন, আমি আমার জমিতে বালু ফেলেছি। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমার জমিটি দখল করে রেখেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় সমাধানের ব্যবস্থা করা হলেও তারা বসেনি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ‘ঠাকুরগাঁওয়ে রাস্তা বন্ধ করায় অবরুদ্ধ ৭টি পরিবার’ এমন একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি আমাদের নজরে এলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে। পরে যারা বালু ফেলে রাস্তা বন্ধ করেছিলেন, তাদের বালু সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। সমস্যা যেটাই হোক, কারও যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করা যাবে না।

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –