ব্রেকিং:
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় বুয়েটের বহিষ্কৃত ২০  শিক্ষার্থীর মৃত্যুদণ্ড ৫ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দিয়েছেন আদালত
  • বৃহস্পতিবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৮

  • || ০৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পঞ্চগড়ে একসাথে তিন সন্তানের জন্ম দিলেন দরিদ্র মা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে জোর দুই পররাষ্ট্র সচিবের জলঢাকায় ছোট বোনকে বাঁচাতে গিয়ে বড় বোনের মৃত্যু কোভিড চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা দরকার: প্রধানমন্ত্রী বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যায় ২০ মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৫

পার্বতীপুর রেলওয়ে হাসপাতালে রোগীদের ভরসা ফার্মাসিস্ট

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২১  

বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃহত্তম জংশন দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশন। এখানে কর্মরত কর্মকর্তা, শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য রয়েছে ১৬ শয্যা বিশিষ্ট একটি মাত্র হাসপাতাল। তবে হাসপাতাল থাকলেও নেই কোনো চিকিৎসক। চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় ১৫ হাজারের মতো রেল পরিবারের সদস্যরা। তবে হাসপাতালে রোগীদের একমাত্র ভরসা ফার্মাসিস্ট। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত পার্বতীপুর রেলওয়ে হাসপাতালে মঞ্জুরিকৃত পদে অতিরিক্ত বিভাগীয় মেডিকেল অফিসার একজন, সহকারী সার্জন দুজন, ফার্মাসিস্ট দুজন, সিস্টার ইনচার্জ একজন, সিনিয়র নার্স তিনজন, জুনিয়র নার্স একজন, ড্রেসার একজন, ওয়ার্ড অ্যাটেনডেন্ট ছয়জন, ওষুধ ক্যারিয়ার (এমসি) একজন, বাবুর্চি একজন, মশালাচি একজন, আয়া দুজন, নিরাপত্তা প্রহরী দুজন এবং পরিচ্ছন্নকর্মী পাঁচজন কর্মরত থাকার কথা। তবে কোনো মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জন না থাকায় এবং ১৪টি পদে ২৯ জনের বিপরীতে ১৩ জন লোকবল নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম।

সেবা নিতে আসা রেল কর্মচারী মৃনয় রায় বলেন, হাসপাতালে আগে নিয়মিত ডাক্তার আসতেন। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে বা আমি নিজেও অসুস্থ হলে এখানেই চিকিৎসা নিতাম। এখন ডাক্তার নেই। চিকিৎসাও পাই না।

রেল পরিবারের সদস্য আব্দুল্লাহ বলেন, আমার অসুস্থ বাবাকে নিয়ে আসছি। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় আমার মতো অনেকেই এসে ঘুরে যাচ্ছেন।

পার্বতীপুর রেলওয়ে হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় কর্মরত ছাড়া তাদের পরিবারসহ প্রায় ৪-৫শ মানুষ প্রতি মাসে এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসকদের পদগুলো পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। আবার পদগুলো নন ক্যাডার হওয়ায় নিয়োগের পর চিকিৎসকরা এখানে থাকতে চান না। ফলে যোগদানের পর তারা স্বাস্থ্য বিভাগে চলে যান। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতের যথেষ্ট উন্নয়ন হওয়ায় এখানকার  কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন না।

রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের বিভাগীয় মেডিকেল অফিসার আনিসুল হক মুঠোফোনে বলেন, গত বছর একজন মেডিকেল অফিসার ছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়োগ পাওয়ায় তিনি সেখানে যোগদান করেছেন। বর্তমানে এখানে কেউ নেই। 

– কুড়িগ্রাম বার্তা নিউজ ডেস্ক –